Close Menu
doinikjonogon.news
    What's Hot

    তেলের সংকট নেই, গুজবে কান দেবেন না: পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

    July 22, 2026

    তৃতীয় ভাসমান টার্মিনাল স্থাপন নিয়ে আগামী মাসের মধ্যেই সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

    July 22, 2026

    ইরানের পিকঅ্যাক্স পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র?

    July 22, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Facebook X (Twitter) Instagram
    doinikjonogon.news
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • অর্থনীতি
    • সারাদেশ
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • ইসলামী জীবন
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • স্বাস্থ্য
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • মন্ত্রণালয়
      • রাজধানী
      • পর্যটন
    doinikjonogon.news
    Home»জাতীয়»মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: মানসিক ট্রমায় অনেক শিক্ষার্থী
    জাতীয়

    মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: মানসিক ট্রমায় অনেক শিক্ষার্থী

    misuBy misuJuly 21, 2026No Comments6 Mins Read
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram Pinterest Tumblr Reddit WhatsApp Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email
    ডেস্ক নিউজঃ মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। গত বছরের ২১ জুলাই উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের হায়দার আলী একাডেমিক ভবনে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ৩৫ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ২৮ জন শিক্ষার্থী, তিন জন শিক্ষক, তিন জন অভিভাবক ও বিমানের একজন পাইলট। আহত ১৭৫ জনের মধ্যে শিক্ষার্থী ৬৩ জন। আহতরা দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে ক্লাসে ফিরলেও অধিকাংশই এখনো স্বাভাবিকে ফিরে আসতে পারেনি। ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থী যারা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন, আজও তাদের বুকের ভিতর শূন্যতা আর হাহাকার। হূদয়ে রক্তক্ষরণ থামলেও দগদগে বিষাদের সেই ক্ষণ, আকাশ থেকে নেমে আসা আগুনের লেলিহান শিখা, আর্তনাদ, বন্ধুদের হারানোর শোকসহ চোখের সামনে ঘটে যাওয়া বিভীষিকাময় সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো তাড়া করে বেড়াচ্ছে অনেক শিক্ষার্থীকে। অভিভাবকরা বলেন, আহত শিক্ষার্থীরা সবকিছুতেই এখন বিরক্ত দেখায়, হঠাত্ রেগে যায়। আকাশে বিমানের আওয়াজ শুনলে এখনো অনেকে আতঙ্কে শিউরে ওঠে ও কান চেপে ধরে। বেশির ভাগই ক্লাসে মনোযোগ দিতে পারছে না, আবার কেউ মাঝ রাতে ঘুমের মধ্যে কেঁদে উঠছে। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর শিশুদের মনে গভীর মানসিক আঘাত বা ট্রমা তৈরি হয়েছে, যা তারা এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। কেবল শারীরিক চিকিৎসাই যথেষ্ট নয় বরং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক পুনর্বাসন ও কাউন্সেলিং সেবা শিশুদের স্বাভাবিক শৈশবে ফিরিয়ে আনতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
    মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে যারা প্রাণ হারিয়েছেন তাদের জন্য এখনো কাঁদেন স্বজন, সহপাঠী ও শিক্ষকরা। আর যারা সেদিন মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেছেন, তাদের জীবন চলছে এক অজানা আতঙ্কে। এতদিনেও বিভীষিকাময় সেই দৃশ্য এখনো অনেকের কাছে ধূসর স্মৃতি। যত দিন যাচ্ছে অস্বাভাবিক আচরণ বাড়ছে দুর্ঘটনায় আহত ৬ষ্ঠ শ্রেণির (ইংরেজি ভার্শন) শিক্ষার্থী জাইয়ানা মাহবুবের। সে প্রায়ই বলছে, ‘মরে গেলে ভালো হতো’। গতকাল জাইয়ানা মাহবুবের মা সানজিদা বেলায়েত ইত্তেফাককে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, তার মেয়ের এখনো ভয় কাটেনি। হুটহাট রেগে যায়। কোন কথা বললেই বিরক্ত বোধ করে। প্রতিদিন ঘুমের মধ্যে কেঁদে ওঠে। দিনদিন এই অস্বাভাবিক আচরণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দিনে ও রাতে প্রায়ই বলে, আমি কেন ঐ দিন মারা গেলাম না? মরে গেলে ভালো হতো, আমার কিছু ভালো লাগে না। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েটা পরিপাটি ছিল। হাতে মেহেদি দিত, ব্রেসলেট পরত। ওর হাত পুড়ে গেছে। সে বলে, হাত জম্বির মতো হয়ে গেছে। ওর প্রশ্নের উত্তর আমি কী দেব? এই বাচ্চাগুলোকে সমাজ কোন চোখে দেখবে? তিনি আহত ব্যক্তিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে পাঠানোর দাবি জানান।
    মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির পর বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলেও হতাহতের পরিবার সরকারের পক্ষ থেকে কোন আর্থিক সহায়তা পায়নি। বিগত অন্তর্বর্তী সরকার নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ লাখ ও আহতদের ৫ লাখ করে টাকা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এটা খুবই সীমিত সহায়তা হিসেবে আখ্যায়িত করে অভিভাবকরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। এ প্রসঙ্গে সানজিদা বেলায়েত বলেন, অভিভাবকদের পক্ষ থেকে গত ১৭ জুন প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত্ চেয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু এখনো সাক্ষাত্ পাইনি। গত ২১ জানুয়ারি ক্ষতিগ্রস্ত সকল পরিবার বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছিল। সেদিন তারেক রহমান বলেছিলেন, তিনি সরকার গঠন করতে পারলে তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবেন। সানজিদা বেলায়েত বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ এক বছর অতিবাহিত হলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য স্থানীয় কোন পুনর্বাসন পরিকল্পনা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে আহত শিশুরা দগ্ধজনিত জটিলতা, প্লাস্টিক সার্জারি ও দীর্ঘমেয়াদি মানসিক ট্রমার কারণে মানবেতন জীবন যাপন করছে।’
    প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের জন্য লিখিত আবেদনে মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে শহীদ ও আহতদের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়েছে। দাবিগুলো হলো—শহীদ পরিবারের সুরক্ষায় ও আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং দ্রুত হাইকোর্টের রিটের বাস্তবায়ন। আহতদের জন্য আজীবন বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও সিএমএইচ থেকে বিশেষ মেডিক্যাল কার্ডের ব্যবস্থা করা। নিহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদি মর্যাদা ও সনদ প্রদান করা। ২১ জুলাইকে ‘জাতীয় শিক্ষা শোক দিবস’ ঘোষণা এবং শহীদদের স্মরণে উত্তরায় একটি মসজিদ নির্মাণ করতে হবে।
    নিয়মিত ক্লাস করছে ইউসা: দুর্ঘটনায় পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী নূরে জান্নাত ইউসার শরীরের ১০ শতাংশ পুড়ে যায়। গত বছরের ২২ জুলাই তাকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। ঐ বছরের ১১ আগস্ট হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। এখন নিয়মিত ক্লাস করছে ইউসা। ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে ইউসা বলে, একসময় পাইলট হওয়ার স্বপ্ন দেখত সে, এখন বিমান উড়ে গেলেই ভয় পেয়ে দুই হাত দিয়ে কান চেপে ধরে সে, আর পাইলট হওয়ার ইচ্ছা নেই তার।
    সেদিন কি দেখেছিল শিক্ষার্থীরা: ২০২৫ সালের ২১ জুলাই সোমবার সকালটা ছিল একদমই সাধারণ। কলেজের প্রজেক্ট-২ ভবনের প্রতিটি কক্ষে তখন চলছিল পাঠদান। তৃতীয় শ্রেণির ক্লাসরুমে বসে ছিল শিশু শিক্ষার্থীরা। পরনে ইউনিফর্ম আর বইভরা ব্যাগ। এক হাতে খাতা, অন্য হাতে কলম। দুপুর ১টায় ছুটি হয়। বিমান বাহিনীর এফ-৭ বিজেআই প্রশিক্ষণ বিমানটি ঢাকার বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর-উত্তম এ কে খন্দকার থেকে বেলা ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়ন করে। ১টা ১৮ মিনিটে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের হায়দার আলী একাডেমিক ভবনে বিধ্বস্ত হয়। এক মুহূর্তে পালটে যায় সব কিছু। হতবিহ্বল ও দিশাহারা হয়ে শিক্ষার্থীদের দিগ্বিদিক ছুটোছুটি, চিত্কার, কান্না, ধোঁয়া, ধুলোয় ভরে যায় স্কুল। স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। এর মধ্য থেকে একের পর এক দগ্ধ শিক্ষার্থী বের করে আনা হয়। বিধ্বস্ত প্লেনটি ছিটকে প্রাইমারি শিক্ষার্থীদের ভবনের সিঁড়ির সামনে চলে যায়। বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির ‘নাক’ ঢুকে যায় ভবনের সিঁড়ির অংশে, আর এর দুই পাখার আঘাতে পুড়ে ছাই হয় শিশুদের দুটি ক্লাসরুম।
    বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাত্ দেখি আগুন ধরা প্লেনটা আমাদের বিল্ডিংয়ে আঘাত করছে। আমার এক বন্ধুই আমার চোখের সামনে মারা গেছে। এই দৃশ্য ভুলতে পারছি না।’ ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের শিক্ষার্থী হাসবিয়া রহমান আঝরা জানান, ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার সময় তারা ক্লাসে ছিল। চারপাশ কেঁপে ওঠা বিকট শব্দ, আগুনে পুড়ে যাওয়া মানুষ আর বাচ্চাদের করুণ আর্তনাদ—এই সবই তিনি নিজের চোখে দেখেছেন। এখন বিমানের শব্দ শুনলে সেই ভয়াবহ স্মৃতি তার মনে পড়ে যায়।
    ট্রমা কাটাতে বিশেষ পুনর্বাসনের উদ্যোগ: শিক্ষার্থীদের এই গভীর মানসিক ক্ষত ও ট্রমা কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বেশ কিছু বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রোটারি ক্লাব অব বনানী ঢাকা এবং ছুটি রিসোর্টের যৌথ উদ্যোগে গাজীপুরের পুবাইলে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ ‘মেন্টাল হিলিং’ বা মানসিক নিরাময় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম পরিবেশ থেকে দূরে প্রকৃতির সান্নিধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তারা দিনভর মেডিটেশন, ছবি আঁঁকা, ফুটবল খেলা এবং উন্মুক্ত কাউন্সেলিং সেশনে অংশ নেয়। নিহত সহপাঠীদের স্মরণে এবং শোককে শক্তিতে রূপান্তর করতে এই নিরাময় অনুষ্ঠানে চারাগাছ রোপণ করা হয়।
    নিহতদের স্মরণ, আহতদের সুস্থতা কামনা: মাইলস্ট্রোন ট্র্যাজেডির এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ এবং আহত ব্যক্তিদের সুস্থতা কামনায় দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির দিয়াবাড়ী ক্যাম্পাসে এই দোয়া ও স্মরণসভা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কলেজটির অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের স্মরণ করতে এখানে হাজির হয়েছে। তারা নিহত সবার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে। শিক্ষার্থীসহ যারা এ ঘটনায় আহত হয়েছেন, তাদের সুস্থতা কামনা করছে।
    দুর্ঘটনাস্থলটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে আজ: এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ এবং আহত ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি জানাতে দুই দিনের কর্মসূচি নিয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি। এর অংশ হিসেবে দুর্ঘটনাস্থলটি আজ মঙ্গলবার সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে বলে জানান অধ্যক্ষ। তিনি বলেন, দুর্ঘটনাস্থলে স্কাউট ও রোভার সদস্যরা গার্ড অব অনার দেবেন। নিহত ব্যক্তিদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হবে। এক মিনিট নীরবতা পালন করা হবে। দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। স্মৃতিচারণার আয়োজন থাকবে। পাশাপাশি নিহত ব্যক্তিদের ছবি, বন্ধুদের লেখা স্মৃতিকথা ও বিভিন্ন বার্তা প্রদর্শন করা হবে। আজকের আয়োজনে অভিভাবকেরাও উপস্থিত থাকবেন।
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
    Previous Articleহারের পরেও বীরের সম্মান, আর্জেন্টিনাকে বরণে সমর্থকের ঢল
    Next Article স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পর ‘গুপ্তবাহিনী’ ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করে: প্রধানমন্ত্রী
    misu
    • Website

    Related Posts

    তেলের সংকট নেই, গুজবে কান দেবেন না: পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

    July 22, 2026

    তৃতীয় ভাসমান টার্মিনাল স্থাপন নিয়ে আগামী মাসের মধ্যেই সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

    July 22, 2026

    দল থেকে গাজী নজরুলকে বহিষ্কার, সংসদ সদস্য পদ নিয়ে প্রশ্ন

    July 22, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    নির্ভরযোগ্য ও গুরুতর সংবাদের বিশ্বস্ত উৎস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এই প্ল্যাটফর্মটি। সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইটের আদলে তৈরি এই ডেমোটি মূলত থিমটির কার্যকারিতা তুলে ধরার জন্যই নির্মিত। আরও বিভিন্ন ধরনের ডেমো দেখতে আমাদের মূল পেজে ভিজিট করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    We're social. Connect with us:

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ শিহাব উদ্দিন

    সম্পাদকীয়ঃ ৫১৬/2 ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। ঢাকা ১২০৬

    ফোন নাম্বারঃ 01711475448

    জিমেইলঃ Dainikbanglasomoy@gmail.com

    © 2026 ThemeSphere. Designed by ThemeSphere.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.