Close Menu
doinikjonogon.news
    What's Hot

    ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়পরায়ণ বিচারক: প্রধানমন্ত্রী

    April 20, 2026

    ভারতে আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০

    April 20, 2026

    লঞ্চের ভাড়াও বাড়াতে চান মালিকরা, বিআইডব্লিউটিএ-কে চিঠি

    April 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Facebook X (Twitter) Instagram
    doinikjonogon.news
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • অর্থনীতি
    • সারাদেশ
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • ইসলামী জীবন
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • স্বাস্থ্য
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • মন্ত্রণালয়
      • রাজধানী
      • পর্যটন
    doinikjonogon.news
    Home»অপরাধ ও দুর্নীতি»গণপূর্তের স্পেশাল ইউনিটে ‘ঘুষের সিন্ডিকেট’—কাজ বণ্টনে অন্ধকার কারসাজির অভিযোগ
    অপরাধ ও দুর্নীতি

    গণপূর্তের স্পেশাল ইউনিটে ‘ঘুষের সিন্ডিকেট’—কাজ বণ্টনে অন্ধকার কারসাজির অভিযোগ

    misuBy misuApril 2, 2026No Comments3 Mins Read
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram Pinterest Tumblr Reddit WhatsApp Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ উন্নয়ন নয়, ভেতরে ভেতরে যেন চলছে “কাজ বাণিজ্যের অন্ধকার সাম্রাজ্য”! এমন বিস্ফোরক অভিযোগে তোলপাড় এখন গণপূর্ত অধিদপ্তর–এর কাঠের কারখানা স্পেশাল ইউনিট। ভুক্তভোগী ঠিকাদারদের দাবি—এই ইউনিট কার্যত একটি নিয়ন্ত্রিত সিন্ডিকেটের কবলে। এখানে নিয়ম-কানুন নয়, চলে কমিশন, রেট-কোড আর প্রভাবের রাজনীতি।

    অভিযোগের তীর নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমের দিকে। ঠিকাদারদের ভাষ্য, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি চালু করেছেন “অগ্রিম কমিশনভিত্তিক কাজ বিক্রির মডেল”—যেখানে প্রকল্পের এস্টিমেট আগেই ফাঁস হয়ে যাচ্ছে পছন্দের কয়েকজনের কাছে। বিনিময়ে ৩–৪ শতাংশ অগ্রিম ঘুষ! অর্থাৎ, কাজের আগে কমিশন—তারপরই টেন্ডার নামক আনুষ্ঠানিকতা।

    টেন্ডার শুধু কাগজে-কলমে ?
    ক্ষুব্ধ ঠিকাদারদের অভিযোগ, স্পেশাল ইউনিটে টেন্ডার এখন নিছক প্রহসন।
    অগ্রিম টাকা দিয়েও কাজ পাচ্ছেন না বহু লাইসেন্সধারী ঠিকাদার। কেউ কাজ পেলেও শর্ত জুড়ে দেওয়া হচ্ছে—‘পছন্দের কোম্পানি’ থেকেই কিনতে হবে মালামাল। নির্দেশ অমান্য করলে চুক্তি বাতিলের মৌখিক হুমকির অভিযোগও রয়েছে।
    ফলে বছরের পর বছর সরকারি দপ্তরে মানসম্পন্ন সরবরাহ করা পুরোনো ঠিকাদাররা কার্যত বাজার থেকে ছিটকে পড়েছেন। প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প, নাকি নিয়ন্ত্রিত বাজার?

    প্রধান বিচারপতির বাসভবনের কাজ নিয়েও প্রশ্ন : সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছে প্রধান বিচারপতির সরকারি বাসভবনে সম্পাদিত কাজের মান নিয়ে। পাশাপাশি অফিসকেন্দ্রিক নানা ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারির অভিযোগও ঘুরে বেড়াচ্ছে সংশ্লিষ্ট মহলে। অভিযোগ রয়েছে, এসব বিতর্ক চাপা দিতেই সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতার তাকে তড়িঘড়ি করে রাজশাহীতে বদলি করেন। কিন্তু নাটক এখানেই শেষ নয়। রাজশাহীতে কার্যত অফিস না করেই মাত্র ৮ মাসের মাথায় তিনি আবার ঢাকায় গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে পোস্টিং বাগিয়ে নেন। সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন—কোন প্রভাব বলয়ে সম্ভব হলো এমন প্রত্যাবর্তন?

    “অস্বাভাবিক উত্থান’ এক প্রতিষ্ঠানের : অনুসন্ধানে উঠে এসেছে একটি প্রতিষ্ঠানের নাম— ফার্নিচার কনসেপ্ট এন্ড ইন্টেরিয়র লিমিটেড। অভিযোগ অনুযায়ী, গত দুই অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি মডেল মসজিদসহ একাধিক প্রকল্পে কোটি কোটি টাকার কাজ পেয়েছে। নথি অনুযায়ী— ২০২৫/১৩ নং লট: ৩,৫৩,৪৫,৮০২ টাকা, ২০২৫/৩ নং লট: ৩,৩৭,৩৭,৯০২ টাকা, ২০২৫/৪ নং লট: ৩,৩৭,৩৭,৯০২ টাকা। এছাড়া ২০২৫–২৬ অর্থবছরে—
    রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ–এ ২৭ লাখ টাকা,
    শহীদ নায়েব সুবেদার আশরাফ আলী খান বীরবিক্রম লাইব্রেরি–তে ১.৮২ কোটি টাকা, পাবলিক লাইব্রেরি বহুমুখী ভবন–এ প্রায় ১.৯৩ কোটি টাকার কাজ।

    বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন—ভবনের মূল নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই কীভাবে ফার্নিচার সরবরাহের চুক্তি সম্পন্ন হয়? পরিকল্পনা, অনুমোদন ও বাস্তব অগ্রগতির সমন্বয় কোথায়?

    বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রভাবশালী কোম্পানির দৌরাত্ম ?
    অভিযোগের তালিকায় আরও রয়েছে কয়েকটি প্রভাবশালী ফার্নিচার কোম্পানির নাম। সংশ্লিষ্টদের দাবি, সুবিধা দিয়ে প্রভাব বিস্তার করে কোটি টাকার কাজ নিশ্চিত করা হয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগে প্রশ্ন উঠেছে—সরকারি প্রকল্প কি এখন নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর একচেটিয়া ব্যবসায় পরিণত?

    পুরোনো অভিযোগ, নতুন প্রশ্ন :
    সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অতীতেও উন্নয়ন প্রকল্পে বেনামী ঠিকাদারি, অর্থ আত্মসাৎ ও নানা বিতর্কে জাহাঙ্গীর আলমকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছিল। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাব ও অর্থের জোরে আবার গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে প্রত্যাবর্তনের অভিযোগ এখন প্রকাশ্যে আলোচনায়।

    অভিযুক্ত প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও প্রথমে সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে যোগাযোগ করে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন। তবে দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ তদন্তে কীভাবে সত্যতা পাওয়া গেল—এ প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান।

    উল্লেখ্য : এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্য ভুক্তভোগী ঠিকাদার, সংশ্লিষ্ট সূত্র ও প্রাপ্ত নথির ভিত্তিতে উপস্থাপিত অভিযোগ। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে—স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধান ছাড়া প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন সম্ভব নয়। গণপূর্তের এই ‘স্পেশাল ইউনিট’ কি উন্নয়নের কারখানা, নাকি ঘুষের কারখানা—এখন সেই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশাসনিক অন্দরে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
    Previous Articleইলিয়াস আলীর লাশ ফেলা হয় ধলেশ্বরীতে
    Next Article প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদ প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
    misu
    • Website

    Related Posts

    খাগড়াছড়ি থেকে খুলনা—ভুয়া প্রকল্পে বিস্তৃত প্রতারণার জাল

    April 20, 2026

    বাস্তব কাজের সঙ্গে বরাদ্দ অর্থের গরমিল খুঁজছে দুদক

    March 12, 2026

    ল্যাব রিপোর্টে বড় প্রশ্ন: ভেজাল অ্যান্টিবায়োটিক বাজারে এল কীভাবে?

    March 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    নির্ভরযোগ্য ও গুরুতর সংবাদের বিশ্বস্ত উৎস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এই প্ল্যাটফর্মটি। সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইটের আদলে তৈরি এই ডেমোটি মূলত থিমটির কার্যকারিতা তুলে ধরার জন্যই নির্মিত। আরও বিভিন্ন ধরনের ডেমো দেখতে আমাদের মূল পেজে ভিজিট করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    We're social. Connect with us:

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ শিহাব উদ্দিন

    সম্পাদকীয়ঃ ৫১৬/2 ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। ঢাকা ১২০৬

    ফোন নাম্বারঃ 01711475448

    জিমেইলঃ Dainikbanglasomoy@gmail.com

    © 2026 ThemeSphere. Designed by ThemeSphere.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.