Close Menu
doinikjonogon.news
    What's Hot

    সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

    March 14, 2026

    দেশজুড়ে খাল খনন কর্মসূচি শুরু ১৬ মার্চ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    March 14, 2026

    ব্যাটিং ধসে ১১৪ রানেই থামল বাংলাদেশ, সমতায় ফিরল পাকিস্তান

    March 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Facebook X (Twitter) Instagram
    doinikjonogon.news
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • অর্থনীতি
    • সারাদেশ
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • ইসলামী জীবন
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • স্বাস্থ্য
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • মন্ত্রণালয়
      • রাজধানী
      • পর্যটন
    doinikjonogon.news
    Home»অপরাধ ও দুর্নীতি»ক্ষমতার অপব্যবহারে নিয়োগের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আলোচনা
    অপরাধ ও দুর্নীতি

    ক্ষমতার অপব্যবহারে নিয়োগের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে আলোচনা

    misuBy misuJanuary 18, 2026No Comments3 Mins Read
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram Pinterest Tumblr Reddit WhatsApp Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    বিশেষ প্রতিবেদকঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে গুরুতর অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অভিযান চালালেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না পাওয়ায় তদন্ত কার্যক্রম পুরোপুরি এগোতে পারেনি। উপাচার্যের কার্যালয়ে সব গুরুত্বপূর্ণ নথি তালাবদ্ধ থাকায় দুদকের কর্মকর্তারা সেগুলো যাচাই করতে ব্যর্থ হন।

    বুধবার সকালে দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এর একটি দল বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়। তবে সে সময় উপাচার্য ঢাকায় অবস্থান করায় তার দপ্তরের নথিপত্র খোলা সম্ভব হয়নি। ফলে নিয়োগ প্রক্রিয়াগুলো আইন অনুযায়ী হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়নি।

    দুদক চট্টগ্রাম-১-এর সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম জানান, গত প্রায় ১৫ মাসে নিয়ম ভেঙে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। এসব নিয়োগে স্বচ্ছতা ছিল না এবং বেশ কয়েকটি বিভাগে আত্মীয়-স্বজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ফিন্যান্স বিভাগ, ফার্সি বিভাগ, ক্রিমিনোলজি বিভাগ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিয়োগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পরীক্ষার নম্বর বণ্টন, ভাইভা বোর্ডের সিদ্ধান্ত এবং চূড়ান্ত সুপারিশে প্রশাসনিক প্রভাব খাটানো হয়েছে। মেধার চেয়ে ব্যক্তিগত পরিচয় ও ক্ষমতার সম্পর্ককে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    সবচেয়ে আলোচিত অভিযোগগুলোর একটি এসেছে ফিন্যান্স বিভাগ থেকে। অভিযোগ করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান তার প্রভাব খাটিয়ে নিজের মেয়ে মাহিরা শামীমকে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দিতে ভূমিকা রেখেছেন। জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর ফিন্যান্স বিভাগের চারটি প্রভাষক পদের জন্য নিয়োগ বোর্ড বসে। এতে ৫১ জন আবেদনকারীর মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৮ জন ভাইভা ও প্রেজেন্টেশনে অংশ নেন। সেখান থেকে চারজনকে চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়, যাদের একজন মাহিরা শামীম।

    মাহিরা শামীম ওই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং মাস্টার্স পরীক্ষায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলেন। নিয়োগ বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য ও প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নসরুল কাদির দাবি করেন, এখানে ব্যক্তিগত পরিচয়ের কোনো বিষয় ছিল না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মাহিরা শামীমের আন্তর্জাতিক জার্নালে দুটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত থাকায় তিনি তুলনামূলকভাবে এগিয়ে ছিলেন।

    এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, তিনি ওই নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ছিলেন না এবং বোর্ডের সভাপতি ছিলেন উপাচার্য নিজেই। তার দাবি, তার মেয়ে যোগ্যতার ভিত্তিতেই আবেদন করেছে এবং বোর্ড স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এদিকে আরেকটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে তার ভাই মো. আব্দুল কাইয়ুমকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগেও স্বচ্ছতা মানা হয়নি বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, তার ভাই যখন চাকরির জন্য আবেদন করেন, তখনই তিনি নিয়োগ বোর্ড থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেন। তার দাবি, মো. আব্দুল কাইয়ুমের শিক্ষাগত যোগ্যতা ভালো এবং তিনি এর আগে সৌদি আরবের জেদ্দা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে চলমান বিতর্কের কারণে তার ভাই আদৌ এই চাকরিতে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত সব নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা, ভাইভা, নম্বরপত্র ও বোর্ডের সুপারিশ সংক্রান্ত নথি সংগ্রহের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এসব কাগজপত্র যাচাই না করা পর্যন্ত কোনো নিয়োগে আইন লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তা চূড়ান্তভাবে বলা সম্ভব নয়। তবে অভিযান শেষে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করে কমিশনে জমা দেওয়া হবে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
    Previous Articleগণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়
    Next Article দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান, অফিসেই ধরা খেলেন অভিযুক্ত
    misu
    • Website

    Related Posts

    বাস্তব কাজের সঙ্গে বরাদ্দ অর্থের গরমিল খুঁজছে দুদক

    March 12, 2026

    ল্যাব রিপোর্টে বড় প্রশ্ন: ভেজাল অ্যান্টিবায়োটিক বাজারে এল কীভাবে?

    March 7, 2026

    উচ্চ মুনাফার লোভে আমানত সংগ্রহ—সমবায় আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ

    March 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    নির্ভরযোগ্য ও গুরুতর সংবাদের বিশ্বস্ত উৎস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এই প্ল্যাটফর্মটি। সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইটের আদলে তৈরি এই ডেমোটি মূলত থিমটির কার্যকারিতা তুলে ধরার জন্যই নির্মিত। আরও বিভিন্ন ধরনের ডেমো দেখতে আমাদের মূল পেজে ভিজিট করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    We're social. Connect with us:

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ শিহাব উদ্দিন

    সম্পাদকীয়ঃ ৫১৬/2 ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। ঢাকা ১২০৬

    ফোন নাম্বারঃ 01711475448

    জিমেইলঃ Dainikbanglasomoy@gmail.com

    © 2026 ThemeSphere. Designed by ThemeSphere.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.