Close Menu
doinikjonogon.news
    What's Hot

    মৃত্যুর আগে শাবনূরকে ঘিরে গুঞ্জনে সালমান শাহ কী বলেছিলেন

    September 6, 2026

    ৪৩৪১ হাজিকে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দিচ্ছে সরকার

    September 6, 2026

    পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    September 6, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Facebook X (Twitter) Instagram
    doinikjonogon.news
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • অর্থনীতি
    • সারাদেশ
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • ইসলামী জীবন
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • স্বাস্থ্য
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • মন্ত্রণালয়
      • রাজধানী
      • পর্যটন
    doinikjonogon.news
    Home»আবহাওয়া ও পরিবেশ»পরশু থেকে তিন দিন তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা
    আবহাওয়া ও পরিবেশ

    পরশু থেকে তিন দিন তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা

    misuBy misuDecember 27, 2025No Comments5 Mins Read
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram Pinterest Tumblr Reddit WhatsApp Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email

    আবহাওয়া ডেস্কঃ পৌষের প্রথম পক্ষ না পেরুতেই শীতে কাঁপছে গোটা দেশ। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে জনজীবন রীতিমতো  কাহিল হয়ে পড়েছে। তাপমাত্রার পারদ নেমেছে ৯ ডিগ্রিতে। বইছে শৈত্যপ্রবাহ। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কনকনে ঠান্ডায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। হাড় কাঁপানো শীতে জবুথবু মানুষ ও প্রাণীকূল। সকালে সূর্যের দেখা মিলছে না। দুপুরে সূর্যের সামান্য রোদের উষ্ণতা জনপদের মানুষের ঠান্ডা নিবারণ হচ্ছে না।

    ভোর থেকে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে সড়ক-মহাসড়ক ও ফসলের মাঠ। হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলছে যানবাহন। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না অনেকেই। ঘন কুয়াশার কারণে পাটুরিয়া দৌলতদিয়া ও আরিচা কাজিরহাট নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সন্ধ্যা নামলেই। রাজধানীসহ সারা দেশের আটটি বিভাগের ওপরই বয়ে চলেছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। গতকাল শুক্রবার যশোরে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ ডিগ্রি।

    উত্তরের জেলাগুলোর অবস্থা আরো করুণ। গত তিন দিনে শৈত্যপ্রবাহের তীব্র শীত আর কনকনে ঠান্ডায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে কয়েকটি জেলার জনজীবন। দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। বেশি অসুবিধায় পড়েছেন ছোট বাচ্চা ও বয়োবৃদ্ধরা। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র না থাকায় ঘর থেকে বের হচ্ছেন না গরিব অসহায় মানুষ। সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে হিমালয় থেকে আসা হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে। ঘন কুয়াশা আর হাড়-কাঁপানো শীতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দিনেও স্বস্তি নেই, আর রাত নামলেই প্রকৃতি যেন আরো কঠোর হয়ে ওঠে। গতকাল সকাল ৯টার দিকে তেঁতুলিয়ায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। টানা পাঁচ দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ বইছে এই জেলায়।

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে তাপমাত্রা আরো কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) পর্যন্ত পাঁচ দিন দেশের তাপমাত্রা আরো কমতে পারে। দেশে শীতের দাপট হঠাত্ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাব বলে মনে করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, এই বলয়ের প্রভাবে দেশে শীতের তীব্রতা আরো বাড়তে পারে। এই বলয়ের বর্ধিতাংশ এখন পশ্চিমবঙ্গ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের অনেক জায়গায় ঠান্ডা অনুভূতি বাড়তে পারে। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামীকাল রবিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। আগামী সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। এ কয়েক দিন অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

    রাজধানীতে বেড়েছে শীতের দাপট:

    ঢাকায় জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে চারপাশ, আর সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে হিমেল হাওয়ার দাপট। বৃহস্পতিবারের তুলনায় গতকাল তাপমাত্রা আরো কিছুটা কমেছে, ফলে জনজীবনে শীতের তীব্রতা অনুভূত হচ্ছে প্রবলভাবে। গতকাল শুক্রবার আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সকালে ঢাকায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার এই তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। এদিকে শীত বাড়তে থাকায় খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট বেড়েছে। গতকাল সন্ধ্যার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় হতদরিদ্র লোকজনকে শীতে জবুথবু হয়ে রাস্তার ধারে বসে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া হঠাত্ ঠান্ডা বেড়ে যাওয়ায় শীতের কাপড়ের দোকানে ও ফুটপাতের দোকানে বেশ ভিড় লক্ষ করা গেছে।

     দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা চুয়াডাঙ্গা এখন কনকনে শীতের কবলে। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। উত্তরের হিমেল হাওয়ায় শৈত্যপ্রবাহ বইতে থাকায় জনদুর্ভোগ বেড়ে গেছে। হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় খেটে-খাওয়া মানুষ এবং প্রাণীকূল শীতে কষ্ট পাচ্ছে। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, দেশের কোথাও শৈত্যপ্রবাহ না থাকলেও তাপমাত্রা কমে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। এ অবস্থা আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে। এরপর নতুন বছরের শুরুতেই শীত আরো তীব্র আকারে জেঁকে বসতে পারে। তবে এ মুহূর্তে শৈত্যপ্রবাহের কোনো পূর্বাভাস নেই। আবহাওয়াবিদ নাজমুল হকের মতে, শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে দেশের অন্তত দুই থেকে তিনটি এলাকায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে আসে।

    পরশু থেকে তিন দিন তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা :

    দেশ জুড়ে শীতের তীব্র রূপ দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক জানান, শীতের তীব্রতা এবার সাধারণের চেয়ে কিছুটা বেশি অনুভূত হচ্ছে। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য যদি ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে আসে, তবে শীতের অনুভূতি বাড়তে থাকে। আর এই পার্থক্য যদি ৫ ডিগ্রির নিচে নামে, তবে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হয়। বর্তমানে রংপুর, দিনাজপুর ও তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার এই পার্থক্য ১০ ডিগ্রির নিচে থাকায় সেখানে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এমনকি ঢাকা, বগুড়া ও সিলেটেও এই পার্থক্য ১৩ ডিগ্রির নিচে নেমে এসেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, পঞ্চগড়, দিনাজপুর ও চুয়াডাঙ্গার তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেছে। নিয়ম অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। যদিও আজ রাত থেকে তাপমাত্রা সাময়িকভাবে সামান্য বাড়তে পারে, তবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে আবারও নতুন উদ্যমে হানা দেবে শীতের দাপট। তখন দুই থেকে তিন দিন তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। কুয়াশার ঘনত্বের কারণে নৌপথ ও সড়কপথে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে দেখা গেছে চালকদের। হিমেল হাওয়ায় জবুথবু বৃদ্ধ ও শিশুরা ভুগছেন নানা শীতজনিত রোগে। আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস বলছে, সামনের কয়েকটা দিন প্রকৃতির এই শীতল লড়াই আরো কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
    Previous Articleআজ শুভ বড়দিন
    Next Article নির্বাচনে হুমকি পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র-গুলি!
    misu
    • Website

    Related Posts

    উজানে ভারী বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে কয়েকটি নদ-নদীর পানি

    September 5, 2026

    দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস

    September 5, 2026

    সারা দেশে আগামী পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির আভাস

    September 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    নির্ভরযোগ্য ও গুরুতর সংবাদের বিশ্বস্ত উৎস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এই প্ল্যাটফর্মটি। সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইটের আদলে তৈরি এই ডেমোটি মূলত থিমটির কার্যকারিতা তুলে ধরার জন্যই নির্মিত। আরও বিভিন্ন ধরনের ডেমো দেখতে আমাদের মূল পেজে ভিজিট করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    We're social. Connect with us:

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ শিহাব উদ্দিন

    সম্পাদকীয়ঃ ৫১৬/2 ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। ঢাকা ১২০৬

    ফোন নাম্বারঃ 01711475448

    জিমেইলঃ Dainikbanglasomoy@gmail.com

    © 2026 ThemeSphere. Designed by ThemeSphere.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.