Close Menu
doinikjonogon.news
    What's Hot

    সরাসরি ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

    March 14, 2026

    দেশজুড়ে খাল খনন কর্মসূচি শুরু ১৬ মার্চ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    March 14, 2026

    ব্যাটিং ধসে ১১৪ রানেই থামল বাংলাদেশ, সমতায় ফিরল পাকিস্তান

    March 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Facebook X (Twitter) Instagram
    doinikjonogon.news
    • সর্বশেষ
    • জাতীয়
    • আন্তর্জাতিক
    • রাজনীতি
    • অপরাধ ও দুর্নীতি
    • অর্থনীতি
    • সারাদেশ
    • বিনোদন
    • খেলাধুলা
    • অন্যান্য
      • ইসলামী জীবন
      • আবহাওয়া ও পরিবেশ
      • স্বাস্থ্য
      • শিক্ষা
      • কৃষি
      • মন্ত্রণালয়
      • রাজধানী
      • পর্যটন
    doinikjonogon.news
    Home»অপরাধ ও দুর্নীতি»গণপূর্তে ‘যুধিষ্ঠির’ নির্মাণ: হারুন অর রশিদের আত্মপক্ষের আড়ালে কী চাপা পড়ছে?
    অপরাধ ও দুর্নীতি

    গণপূর্তে ‘যুধিষ্ঠির’ নির্মাণ: হারুন অর রশিদের আত্মপক্ষের আড়ালে কী চাপা পড়ছে?

    misuBy misuDecember 24, 2025No Comments3 Mins Read
    Facebook Twitter LinkedIn Telegram Pinterest Tumblr Reddit WhatsApp Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email
    বিশেষ প্রতিবেদকঃ নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগে সাম্প্রতিক সময়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে, তার কেন্দ্রে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ। ১০ কোটি টাকার সরকারি টেন্ডার, পরিবারকেন্দ্রিক ঠিকাদারি সুবিধা, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এবং একাংশ গণমাধ্যমের অতিসক্রিয় সাফাই—সব মিলিয়ে এই কর্মকর্তাকে ঘিরে প্রশ্নের তালিকা দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে। অথচ এসব প্রশ্নের জবাবের বদলে সামনে আসছে একটি পরিকল্পিত আত্মপক্ষ সমর্থনের বয়ান, যেখানে তাঁকে তুলে ধরা হচ্ছে ‘নিষ্কলুষ’ ও ‘সৎ কর্মকর্তা’ হিসেবে।

    হারুন অর রশিদের পক্ষে প্রকাশিত তথাকথিত “প্রতিবাদী প্রতিবেদন”-এ বারবার একটি কথাই ঘুরে ফিরে এসেছে—তার বিরুদ্ধে কোনো সরকারি নথিভুক্ত অভিযোগ নেই, কোনো তদন্ত হয়নি এবং সব টেন্ডার নাকি পিপিআর অনুযায়ী হয়েছে। কিন্তু অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার দৃষ্টিতে প্রশ্ন একটাই—অভিযোগ উঠলেই কি আগে মামলা থাকতে হবে? তদন্ত শুরু না হলে কি অনিয়মের অভিযোগ তোলা যাবে না? বাস্তবতা হলো, এই ধরনের ভাষ্য অভিযোগের জবাব নয়; বরং আইনি শব্দচয়ন দিয়ে সময় কেনার কৌশল মাত্র। অভিযুক্তের বক্তব্যই যদি পুরো সংবাদ হয়, তাহলে সেটি সংবাদ নয়—আইনি নোটিশের ভাষান্তর।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে তথ্যটি ওই প্রতিবাদী প্রতিবেদনে কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। ১০ মার্চ ২০২৫—একই দিনে নারায়ণগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের ছয়টি বড় প্রকল্পের টেন্ডার অনুষ্ঠিত হয়। আশ্চর্যজনকভাবে, ছয়টির ছয়টিই পায় একটি প্রতিষ্ঠান—‘অ্যাডরয়েড কনসাল্ট্যান্টস’। এই প্রতিষ্ঠানের মালিকানা সংশ্লিষ্ট আতিকুল ইসলামের স্ত্রীর সঙ্গে—এ তথ্য অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

    এখানেই উঠে আসে গুরুতর প্রশ্ন। e-GP পদ্ধতি চালু থাকলেই কি সিন্ডিকেট অসম্ভব হয়ে যায়? একই পরিবার বারবার ‘সর্বনিম্ন দরদাতা’ হওয়াই কি স্বচ্ছতার একমাত্র প্রমাণ? তাহলে অন্যান্য ঠিকাদাররা কোথায় গেলেন? প্রতিযোগিতা কি কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ ছিল? এই প্রশ্নগুলোর একটিরও জবাব নেই তথাকথিত গৃহপালিত প্রতিবেদনে।

    রাজনৈতিক পরিচয় প্রসঙ্গে হারুন অর রশিদের পক্ষে দাবি করা হয়েছে—তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো কিছু ছবি ও পোস্ট নাকি “AI দিয়ে তৈরি”। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। আওয়ামী লীগের বিজয় মিছিলে সরাসরি উপস্থিতি, ছাত্রলীগ নেতাদের ফুলেল সংবর্ধনা গ্রহণ এবং দলীয় কর্মসূচিতে প্রকাশ্য অংশগ্রহণ—এসব কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বানানো? নাকি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক অতীত মুছে ফেলতেই এখন AI-কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে? ফেসবুক পোস্ট কেবল ছবি নয়; সেগুলো রাজনৈতিক অবস্থান ও সংশ্লিষ্টতার দলিল।

    এই পুরো প্রক্রিয়ায় আরেকটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—একাংশ গণমাধ্যমের ভূমিকা। প্রতিবাদী প্রতিবেদনগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সেখানে নেই কোনো স্বাধীন সূত্র, নেই অভিযোগকারীদের বক্তব্য, নেই কোনো পাল্টা প্রশ্ন। আছে শুধু অভিযুক্ত কর্মকর্তার বয়ান—হুবহু। এটি কি সাংবাদিকতা? নাকি ক্ষমতাবানদের জন্য কলমভিত্তিক আইনি ঢাল? যখন একটি গণমাধ্যম একজন বিতর্কিত কর্মকর্তাকে ‘যুধিষ্ঠির’ বানাতে ব্যস্ত থাকে, তখন সেটি আর গণমাধ্যম থাকে না—তা হয়ে ওঠে সাফাই মঞ্চ।

    হারুন অর রশিদের পক্ষে আরেকটি যুক্তি বারবার সামনে আনা হচ্ছে—“কোনো তদন্ত হয়নি, তাই অভিযোগ মিথ্যা।” অথচ বাস্তবতা হলো, তদন্ত না হওয়াই এখন অভিযোগের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। সিন্ডিকেট শক্তিশালী হলে তদন্ত থেমে যায়, নথি তৈরি হতে সময় লাগে, আর ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে প্রক্রিয়া শুরু করাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে কঠিন কাজ। সুতরাং প্রশ্ন থেকেই যায়—তদন্ত না হওয়াই কি নির্দোষতার সার্টিফিকেট, নাকি তদন্ত আটকে রাখাটাই সিন্ডিকেটের সবচেয়ে বড় সাফল্য?

    এই প্রতিবেদন কোনো রায় নয়। এটি প্রশ্নের তালিকা। ১০ কোটি টাকার হিসাব, একদিনে ছয়টি টেন্ডার, পরিবারকেন্দ্রিক কাজ বণ্টন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অতীত এবং গৃহপালিত গণমাধ্যমের সক্রিয় সাফাই—সব মিলিয়ে প্রশ্ন একটাই। জুলাইয়ের রক্ত কি কেবল শাসক বদলের জন্য ছিল, নাকি ব্যবস্থার বদলের জন্যও? ব্যবস্থা যদি না বদলায়, তাহলে হারুনরা বদলাবে কেন?

    এখন দায়িত্ব দুদক, প্রধান প্রকৌশলী, অন্তর্বর্তী সরকার এবং প্রকৃত সাংবাদিকদের। এই নিষিদ্ধ সিন্ডিকেটের বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলা হবে, নাকি গৃহপালিত কলম দিয়েই সব ঢেকে রাখা হবে—সেটাই এখন দেখার বিষয়।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Telegram Email
    Previous Articleউপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত
    Next Article ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে’
    misu
    • Website

    Related Posts

    বাস্তব কাজের সঙ্গে বরাদ্দ অর্থের গরমিল খুঁজছে দুদক

    March 12, 2026

    ল্যাব রিপোর্টে বড় প্রশ্ন: ভেজাল অ্যান্টিবায়োটিক বাজারে এল কীভাবে?

    March 7, 2026

    উচ্চ মুনাফার লোভে আমানত সংগ্রহ—সমবায় আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ

    March 5, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Top Posts

    নির্ভরযোগ্য ও গুরুতর সংবাদের বিশ্বস্ত উৎস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে এই প্ল্যাটফর্মটি। সংবাদভিত্তিক ওয়েবসাইটের আদলে তৈরি এই ডেমোটি মূলত থিমটির কার্যকারিতা তুলে ধরার জন্যই নির্মিত। আরও বিভিন্ন ধরনের ডেমো দেখতে আমাদের মূল পেজে ভিজিট করার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

    We're social. Connect with us:

    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest YouTube

    প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ শিহাব উদ্দিন

    সম্পাদকীয়ঃ ৫১৬/2 ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। ঢাকা ১২০৬

    ফোন নাম্বারঃ 01711475448

    জিমেইলঃ Dainikbanglasomoy@gmail.com

    © 2026 ThemeSphere. Designed by ThemeSphere.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.