খেলাধুলা ডেস্কঃ ২০২৮ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ছাড়া অন্য সব ম্যাচ আয়োজন করতে আগ্রহী পাকিস্তান। অন্যদিকে, ভারতীয় দলের ম্যাচগুলোর জন্য নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে। আইসিসি জানিয়েছে, ১২ দলের এই আসরটি ২০২৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে প্রধান আয়োজক হিসেবে থাকবে পাকিস্তান।
ভারতের ম্যাচগুলোর জন্য নিরপেক্ষ ভেন্যু এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে আইসিসি নিশ্চিত করেছে, টুর্নামেন্টে এমন একটি ব্যবস্থা থাকবে। পিসিবির একটি সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান টুর্নামেন্টটি আয়োজনে প্রস্তুত থাকলেও, তারা আইসিসির কাছে ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ব্যবহৃত ‘হাইব্রিড মডেল’ আয়োজন পদ্ধতিটিই অনুসরণ করার অনুরোধ জানাবে। ‘ইন্ডিয়া টুডে’-র প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ওই সূত্রটি বলছে, আমরা উভয় গ্রুপের ম্যাচগুলো এবং নকআউট পর্বের যেসব ম্যাচে ভারত নেই, সেগুলো আয়োজন করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্ভবত সবার জন্যই নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে সেরা পছন্দ হবে; কারণ পাকিস্তান থেকে দুবাইয়ের দূরত্ব কম, ফলে লজিস্টিক বা ব্যবস্থাপনার খরচ কম হবে এবং কাজগুলো পরিচালনা করাও সহজ হবে। এই ব্যবস্থাটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আইসিসি ইভেন্টগুলোর জন্য সম্মত হওয়া ‘হাইব্রিড মডেল’-এর অংশ।
এই মডেল অনুযায়ী, কোনো একটি দেশ টুর্নামেন্ট আয়োজন করলে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হয়। আইসিসি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এই ব্যবস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং ২০২৮ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্যও তা কার্যকর রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ‘হাইব্রিড মডেল’-এর আয়োজিত ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সময়ও কার্যকর ছিল, যেখানে ভারতের ম্যাচগুলোর জন্য দুবাইকে নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। ভারত তাদের সব ম্যাচ দুবাইয়ে খেলেছিল, যার মধ্যে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনাল ম্যাচটিও ছিল। টুর্নামেন্টের মোট ১৫টি ম্যাচের মধ্যে ১০টি ম্যাচ পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
অন্যান্য বড় টুর্নামেন্টেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ২০২৩ এশিয়া কাপের সময় ভারত তাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় খেলেছিল। একইভাবে ভারতে অনুষ্ঠিত ২০২৫ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে পাকিস্তান তাদের ম্যাচগুলো কলম্বোতে খেলেছিল, যার মধ্যে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচটিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
পিসিবি-এর একটি সূত্র অনুযায়ী, ভারত যদি যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়, তবে লাহোরে ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। যদিও আইসিসি এখনও ভেন্যু সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করলে পাকিস্তানে নারী ক্রিকেটের ব্যাপক উন্নতি হবে। পাকিস্তানও এই বৈশ্বিক আসরের আগে একটি শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দল গড়ে তোলার ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী।
২০২৮ সালের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ‘হাইব্রিড মডেল’-এর জন্য আরও একটি বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে, কারণ ভারত ও পাকিস্তান বিভিন্ন বহুজাতিক টুর্নামেন্টে এখনও নিরপেক্ষ ভেন্যুতেই তাদের ম্যাচগুলো খেলে আসছে।
<p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px 0px 23.1px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">সম্পাদকীয়ঃ ৫১৬/2 ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। ঢাকা ১২০৬</p><p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px 0px 23.1px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">ফোন নাম্বারঃ 01711475448</p><p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">জিমেইলঃ Dainikbanglasomoy@gmail.com</p>
Copyright © 2025 All rights reserved