ডেস্ক নিউজ : সাংবাদিকদের বেতন ও সম্মানের বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একটি আধুনিক সভ্য রাষ্ট্রের জন্য স্বাধীন ও মুক্ত গণমাধ্যম অপরিহার্য। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে এবং রাষ্ট্রকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য।
শনিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘স্বাধীন গণমাধ্যমের নতুন চ্যালেঞ্জ অপতথ্য: আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের মেধা ও পরিশ্রমের ওপর ভিত্তি করেই গণমাধ্যম শিল্প টিকে আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা কোনো পণ্য উৎপাদন করেন না, তারা নিউজ মেক করেন। আপনাদের উৎপাদিত সংবাদের ওপর ভিত্তি করেই মালিকপক্ষ ব্যবসা করে। তাই সাংবাদিকদের বেতন ও সম্মানের বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিএফইউজে, ডিইউজেসহ সব সাংবাদিক সংগঠনের সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ ‘রি-ইস্টার্টেড স্টেট’ নতুন এক আশাবাদের সৃষ্টি করেছে।
সভ্য রাষ্ট্রের কাঠামোর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগের পাশাপাশি গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। তিনি নর্ডিক দেশগুলোর উদাহরণ টেনে বলেন, সেসব দেশে গণমাধ্যম কোনো আনুষ্ঠানিক স্তম্ভ না হলেও তা সমাজকে এক জীবন্ত জবাবদিহিতার মধ্যে রাখে। নির্বাচনি গণতন্ত্রকে যদি পাঁচ বছর জীবন্ত রাখতে হয়, তবে গণমাধ্যমই হচ্ছে একমাত্র মাধ্যম যা জনগণের প্রত্যাশাকে বাঁচিয়ে রাখে।
তিনি বলেন, অক্সিজেন ছাড়া যেমন মানুষ বাঁচে না, তেমনি সভ্য সমাজের অক্সিজেন হলো ক্লিন ইনফরমেশন। দূষিত তথ্য সমাজকে অসুস্থ করে তোলে।
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, এর মাধ্যমে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল, যা দুঃশাসনের অন্যতম বড় উদাহরণ। বর্তমান সরকার স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। তথ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে গণমাধ্যম জগতের রোগ নির্ণয় করেছে এবং এখন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নিয়ে টেকসই সমাধান বের করার পথে হাঁটছে।
তিনি বলেন, নতুন যুগের ভাইরাসের জন্য নতুন অ্যান্টিভাইরাস প্রয়োজন। ডিজিটাল এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের এনালগ মানসিকতা ত্যাগ করে আধুনিক ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চা করতে হবে।
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি মো. শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলমের সঞ্চালনায় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআইডির প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।
এতে আরও বক্তৃতা করেন মরহুম প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব ও প্রতিদিনের বাংলাদেশর সম্পাদক মারুফ কামাল খান সোহেল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার, বাংলা ভিশনের উপদেষ্টা ড. আব্দুল হাই সিদ্দিক, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাসির জামাল, ডিইউজের সাবেক সভাপতি এলাহী নেওয়াজ খান সাজু প্রমুখ।
<p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px 0px 23.1px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">সম্পাদকীয়ঃ ৫১৬/2 ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। ঢাকা ১২০৬</p><p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px 0px 23.1px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">ফোন নাম্বারঃ 01711475448</p><p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">জিমেইলঃ Dainikbanglasomoy@gmail.com</p>
Copyright © 2025 All rights reserved