আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলা উত্তেজনার মধ্যেই উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির কর্মকর্তারা বলছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালালে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিদ্যুৎহীন বা ‘ব্ল্যাকআউট’-এর কবলে ফেলবে। একইসঙ্গে তারা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলোর একটি সুনির্দিষ্ট তালিকাও তুলে ধরেছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তবে গত সপ্তাহে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের অনুরোধ এবং আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশার কথা উল্লেখ করে তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন।
উপসাগরীয় অঞ্চলের এক কর্মকর্তা এএফপি-কে বলেন, ট্রাম্প যদি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালান, তবে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা ‘ব্ল্যাকআউট’ করার হুমকি দিয়েছে। অঞ্চলের আরেক কর্মকর্তা এই বার্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে উভয় কর্মকর্তাই নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলেছেন।
ট্রাম্প বলেছিলেন, পরিকল্পিত হামলাটি হতো ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলা’। মার্কিন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হানার কথা বিবেচনা করছিলেন। তিনি এরও আগে এমসন হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
কর্মকর্তারা জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান বার্তা দিয়েছে, তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোনো হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের একই ধরনের স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালানো হবে। উপসাগরীয় ওই কর্মকর্তা জানান, ইরান আগেও প্রকাশ্যে এমন হুমকি দিয়েছে। তবে এবারের হুমকিটি ছিল ‘অত্যন্ত গুরুতর’। কারণ এবার হামলা চালানোর মতো লক্ষ্যবস্তুর একটি দীর্ঘ তালিকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের ওপর প্রতিটি হামলার জবাবে ইরানের কোনো সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। এর জবাবে তেহরান ‘চোখের বদলে চোখ’ বা কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।
উপসাগরীয় কর্মকর্তা আরও জানান, ইরানের বার্তায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ (ডেসালিনেশন) কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানার কথা বলা হয়েছিল; অথচ মরুভূমিপ্রধান এই অঞ্চলটি পানীয় জলের জন্য মূলত এসব কেন্দ্রের ওপরই নির্ভর করে।
ট্রাম্প হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করার পর সৌদি আরব ঘোষণা করেছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন নেতার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সময় ইরানের হামলার মূল ধকল উপসাগরীয় অঞ্চলকেই সইতে হয়েছে; এসব হামলায় মার্কিন স্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি কেন্দ্র, বন্দর ও বিমানবন্দরের মতো বেসামরিক অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
চলতি বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে যথাক্রমে যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পরেও বিক্ষিপ্ত হামলা অব্যাহত ছিল। তবে জুলাই মাসে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার পর গোলাগুলির ঘটনা ও তীব্রতা বেড়ে যায় এবং মূলত কুয়েত ও বাহরাইনকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে থাকে।
<p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px 0px 23.1px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">সম্পাদকীয়ঃ ৫১৬/2 ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। ঢাকা ১২০৬</p><p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px 0px 23.1px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">ফোন নাম্বারঃ 01711475448</p><p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">জিমেইলঃ Dainikbanglasomoy@gmail.com</p>
Copyright © 2025 All rights reserved