ডেঙ্গু ডেস্কঃ ডেঙ্গু রোগীদের সেবা দিতে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাকে। দায়িত্ব বণ্টনের সেই চিঠিও পৌঁছেছিল হাসপাতালে— রবিবার সকালে। কিন্তু তখন আর দায়িত্ব নেওয়ার মতো অবস্থায় ছিলেন না তিনি। সেই সকালেই আইসিইউতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন চিকিৎসক আঁচল রায়।
রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার এবং ৪২তম বিসিএসের এই চিকিৎসক ডেঙ্গুর করাল গ্রাসে প্রাণ হারালেন।
রবিবার সকালে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে মারা যান তিনি। তার স্বামী বিপ্লব চন্দ্র দাস সংবাদমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, পেশাগত জীবনে সফল হওয়ার পথে যাত্রা শুরু করেছিলেন ডা. আঁচল রায়। মাত্র ৩০ বছর বয়সে ইন্টারনাল মেডিসিনে এফসিপিএস মিড-টার্ম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তিনি এমআরসিপি (যুক্তরাজ্য) পরীক্ষার প্রথম পর্বও সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন। মাত্র ১৭ মাস আগে বিয়ে হয়েছিল এই চিকিৎসকের। কিন্তু ডেঙ্গুতে হঠাৎ থমকে গেল তার সেই সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ।
বিপ্লব চন্দ্র দাস জানান, চার দিন ধরে বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছিলেন ডা. আঁচল রায়। পঞ্চম দিনে প্লাটিলেটের মাত্রা মারাত্মকভাবে কমে গেলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, ‘আঁচলকে প্রথমে স্কয়ার হাসপাতালের এইচডিইউতে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা আরও খারাপ হলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আজ সকাল ৮টা ২০ মিনিটে তিনি মারা যান।’
আঁচলের পদায়ন ছিল মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগে। তবে সম্প্রতি তাকে একই হাসপাতালের রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগে সংযুক্ত করা হয় বলে জানান স্বামী বিপ্লব।
বিপ্লব বলেন, ‘আঁচল এফসিপিএস মিড-টার্ম ও এমআরসিপি পার্ট ওয়ান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আমরা খুবই খুশি ছিলাম। আমার তাকে নিয়ে খুব গর্ব হতো।’
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (নিপোর্ট) কর্মরত বিপ্লবের সঙ্গে আঁচলের পরিচয় নোয়াখালী মেডিকেল কলেজে পড়ার সময়।
বিপ্লব বলেন, ‘তিন বছর প্রেমের পর আমরা বিয়ে করি।’ আঁচলের বেড়ে ওঠা ঢাকায়, যদিও তার দাদাবাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। বিপ্লবের বাড়ি বরিশালে। ৪২তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আঁচল সরকারি চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন।
চলতি বছর ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর সেপ্টেম্বর মাসেই সবচেয়ে বেশি রোগী মারা গিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে চলতি বছর ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত (আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ২২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, এর মধ্যে সেপ্টেম্বরেই ১২৮ জন প্রাণ হারান।
<p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px 0px 23.1px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">সম্পাদকীয়ঃ ৫১৬/2 ইসিবি চত্বর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। ঢাকা ১২০৬</p><p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px 0px 23.1px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">ফোন নাম্বারঃ 01711475448</p><p style="text-align: center; box-sizing: inherit; -webkit-font-smoothing: antialiased; margin: 0px; padding: 0px; border: 0px; vertical-align: baseline; font-size: 15px; font-family: SolaimanLipi, Arial, sans-serif; word-break: break-word; overflow-wrap: break-word; color: rgb(192, 192, 192); background-color: rgb(15, 15, 17);">জিমেইলঃ Dainikbanglasomoy@gmail.com</p>
Copyright © 2025 All rights reserved